বিদ্যালয়ের অস্থায়ী কর্মী আমাদের অনেকেরই পরিচিত বাপি দা ও কাঞ্চন দি , lockdown পরিস্থিতে ,বন্ধ বাপিদার চায়ের দোকান , কাঞ্চন দির ছেলেও অসুস্থ , আপনজনের মত আমরা ছুটে গেছিলাম তাদের কাছে ,অনুভব করি তাদের আর্থিক অনটন ।। পাশাপাশি গত বছর বিদ্যালয়ের এক প্রাক্তন ছাত্র (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এর উদ্যোগে আমরা যখন চারুনিকেতন এর সামনে থেকে শুকনো খাবার বিতরণ করি আমরা লক্ষ্য করি বিশেষ কিছু দুস্থ মানুষ দের ,যারা নিরুপায় ,যাদের বুক ফাটে তবু মুখ ফোটে না,পরবর্তী ক্ষেত্রে আমরা পৃথক পৃথক ভাবে তাদের খোঁজ নিতে শুরু করি ,বুঝতে চেষ্টা করি আসল পরিস্থিতি টা ,
বাড়ি গিয়ে খোঁজ নি আমরা ,সেরকমই একজন কেও… মোট ৩ জন কে গতকাল আমাদের সাধ্য মতন কিছু খাদ্য সামগ্রী দিয়ে চেষ্টা করলাম ওনাদের কষ্ট কিছুটা ভাগ করে নিতে ….
আমরা *প্রাক্তনী* রা দাতা বা ত্রাতা নই বন্ধু/আত্মীয় এর মত চেষ্টা করলাম ওনাদের পাশে দাঁড়াতে … আপনারা পাশে ছিলেন তাই।। আগামী দিনেও প্রাক্তনী সাধ্য মতন বিদ্যালয় তথা অঞ্চলের সাধারণের পাশে থাকতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।।
