Blog

#প্রাক্তনীর_শীত_কালীন_কর্মসূচি #ওমের_পরশ #শহরের_রাজপথে #প্রাক্তনী_পরিবার

পর্ব ১:- পুজোর ঠিক পরেই যখন শরতের মেঘ কেটে গিয়ে হিমেল বাতাসের আনাগোনা বাড়ে,ঘাসের ডগায় শিশির বিন্দুর সাথে আমাদের শহরের বুকে রুক্ষ শীত নেমে আসে। প্রাক্তনীও নতুন উদ্যমে প্রাণ ভরে শ্বাস নেয় উত্তরের হিমেল বাতাসে।
গুটি গুটি পায়ে ডিসেম্বর শেষ হয়ে আসে,নিয়ে আসে সাথে কেক আর যিশু উৎসবের আমেজ,দৈনন্দিন জীবন বয়ে চলে দৈনন্দিন নিয়ম মেনে।
দিনের এই কলকাতা শহরে যখন ব্যস্ততা আর খ্রিস্ট উৎসবের আনন্দে মেতে থাকে, ঠিক তখনই রাতের প্রবল ঠান্ডায় কষ্ট পায় আমাদের সহ নাগরিকেরা, যাদের মাথার ওপর ছাদ নেই ,শুয়ে থাকেন রাজপথের ফুটপাতের কোনে,সম্বল শুধু একটা পাতলা পলিথিন প্লাস্টিক,কিছু জনের তাও জোটে না।
আর এই মানুষ গুলোর কষ্ট প্রতিনিয়ত যন্ত্রণা দেয় আমাদের, প্রবল ইচ্ছা জাগে মানুষ হয়ে মানুষের জন্য কিছু করার।কিন্তু ওই যে আমাদের ক্ষমতা সীমিত । তবুও প্রাক্তনী পরিবার গত বছরের মত এবারও সাধ্য মতো পাশে থেকেছে তাদের,গত ২৪ শে ডিসেম্বর রাত থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলে আমাদের শহরের রাজপথের অভিযান। অসহায় মানুষ গুলির গায়ে সামান্য “ওমের পরশ” দেয়ার চেষ্টা অবশ্যই তার অনুমতি নিয়ে।সাথে ছিল কেক , যার মাধ্যমে বড় দিনের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছিলাম আমরা।
আমাদের বৃহত্তর প্রাক্তনী পরিবারে সদস্যেদের জন্য রইলো সেই আনন্দ উৎসবের কিছু ছবি যা হৃদয়কে ছুঁয়ে যাবে “ওমের পরশে”
পর্ব ২ :- আমদের প্রাক্তনী পরিবারে সদস্য দীপ মান্না কে, তার পাড়ার পরিচিত এক দাদা এই কর্ম সূচির কথা শুনে তার গ্রামের কথা জানান,সেখানে এক স্থানীয় পূজো উপলক্ষ্যে অসহায় মানুষ দের শীত বস্ত্র প্রদান করা হয় এবং সেই দাদা আমাদের পরিবার কে পাশে থাকার অনুরোধ করেন। হাতে সময় কম থাকায় আমাদের সদস্য দীপ মান্না দ্রুত এ বিষয়ে পরিচালন কমিটি কে জানায় এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যার ফলে হাওড়া রতন পুর গ্রামের ১০ জন দুঃস্থ মানুষ প্রাক্তনীর তরফ থেকে শীত বস্ত্র উপহার পান।

Read More

দেবতার_সন্ধানে_২০২৩

আপনারা সকলেই জানেন বিগত ছয় বছর ধরে প্রাক্তনী পরিবার বিদ্যালয়,তথা বিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী এলাকায় এবং এলাকার বাইরে বিভিন্ন সমাজ সেবা মূলক কাজ করে আসছে। আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম হল #দেবতার_সন্ধানে যেটা আমরা প্রতি বছরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের মরশুমে করে থাকি । একমাস আগে থেকে এই নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয় । গত ১৫ই অক্টোবর রবিবার দেবীপক্ষের প্রতিপদের দিন সকাল সকাল আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম , দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণী অঞ্চল সংলগ্ন রেনিয়া তে, যেখানে একটি অনাথ আশ্রমে অনধিক ১০০ জন ছোট্ট ভাই বোন ও কিছু হতভাগ্য দাদু দিদা থাকেন । এর আগেই আপনারা প্রাক্তনীর পোস্ট দেখেছেন , আমরা আবেদন করেছিলাম আপনাদের সকলের কাছে একটু এগিয়ে আসার জন্য। আমাদের সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে যে সকল মানুষ বাচ্চা গুলোর মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এলেন তাদের জন্য অসংখ্য ভালোবাসা । এই আত্মকেন্দ্রিক যুগে আমরা তো নিজেদের ছাড়া, নিজের পরিবার ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারি না তাই যে সকল সহৃদয় ব্যক্তি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদেরকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ । আপনারা পাশে ছিলেন বলেই এই অল্প সংখ্যক সদস্য নিয়ে প্রাক্তনী পরিবার ১০০ জন ছোট ছোট ভাই বোন ও দাদু দিদাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারল ।
ওদের আবদার ছিল নতুন জামা কাপড়, একটু ভালো খাবার আর ওরা যাতে পুজোয় আনন্দ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করে দেওয়া ।
আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছি ওদের একটু ভালো রাখতে । ওদের চকচকে চোখ আর মুখের চওড়া হাসি দেখে বোঝা যাচ্ছে আমাদের উপস্থিতি ওদের কতটা আনন্দ দিয়েছে ।
আমরা আশাবাদী আগামী দিনেও আপনারা প্রাক্তনী পরিবারের পাশে থাকবেন । আপনারা পাশে থাকলে আমরা ১০০ জন কেন আগামী দিনে ৫০০ জন বাচ্চার মুখেও হাসি ফোটাতে পারবো ।
শারদ উৎসব সকলের ভালো কাটুক এই শুভেচ্ছা রইল সকলের জন্য 🙏🙏
প্রাক্তনী পরিবার।।

Read More

প্রকৃত শিক্ষক হচ্ছেন মোমবাতির ন্যায়। তাঁরা নিজেরা প্রজ্বলিত হয়ে শিক্ষার্থীদের আলো দেন। আমাদের সকলের জীবনেই বাবা-মার পর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকারা । আমাদের দীর্ঘ ছাত্র জীবনে, এমন অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকার সান্নিধ্য আমরা পেয়ে থাকি ,যাঁদের সাহচর্যে আমরা নিজেদের বিকশিত করার সুযোগ পাই , তাঁরা আমাদের জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেন । যে মানুষ গুলো আমাদের শিরদাঁড়া সোজা করে বাঁচতে শেখান ,চিন্তা করতে শেখান, নিজের পরিবারের পরিধির বাইরে গিয়ে সমাজের কথা ভাবতে শেখান । তাঁদের জীবনাদর্শকে আমাদের জীবনপথের পাথেয় করতে শেখান ।
এরকমই এক মহান শিক্ষক হলেন আমাদের বিদ্যালয়ের সকলের প্রিয় শঙ্কর স্যার । আপনারা অনেকই জানেন দীর্ঘ অসুস্থতার পর গত বছর 4ঠা নভেম্বর স্যার পরলোক গমন করেন তাই শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে আমাদের সকলের প্রিয় মানুষ স্বর্গীয় শ্রদ্ধেয় শঙ্কর স্যার এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রাক্তনীর ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা, স্যারের আদর্শে মানুষ হয়ে মানুষের পাশে থাকার প্রয়াস মাত্র । স্যার মানুষ কে যত্ন করে খেতে দিতে বড়ো ভালোবাসতেন তাই আজ আমরা সবাই ছোটো ছোটো ভাই বোনদের , নিজেদের হাতে খাবার পরিবেশন করে খাওয়ালাম ওরাও খুব তৃপ্তি করে খেলো ।
•আজ মেনুতে ছিল•
পোলাও
ভাত
ডাল
আলুভাজা
আলু পটলের তরকারী
মুরগির মাংস/ মাছ
চাটনি
পাপড়
রসগোল্লা
আইসক্রিম ।।

Read More

গার্ডেনরীচ নুট বিহারী দাস হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল বয়েজ – র প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী দের সংগঠন
প্রাক্তনী আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ।
বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী ভাই বোনদের নিয়ে থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রতিযোগিতা ও তাদের উৎসাহ দিয়ে পুরস্কার প্রদান।
অপেক্ষায় থাকছি আমরাও
আপনাদের আর্থিক সহযোগিতায় সফল হয়ে উঠুক প্রাক্তনী র প্রয়াস।
আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম
9804223345 দীপ মান্না
9748572214 শুভজিৎ ঘোষ 🙏🙏

Read More

গত শুক্রবার রাতে শ্রদ্ধেয় ইন্দ্রজিৎ স্যার হঠাৎই ফোন করে বললেন কোঠারি ব্লাড ব্যাংক থেকে শ্রীকৃষ্ণ বাবু ফোন করেছিলেন ওনাদের রক্তের ভাঁড়ার একদম শূন্য , তাই স্যারকে অনুরোধ করেছেন দু একদিনের মধ্যে স্যারের ছাত্র-ছাত্রী তথা গার্ডেনরীচ এলাকার থেকে যে কজন ডোনার পাঠানো যায় পাঠাতে । স্যারের কলটা কাটা মাত্রই আমি সঙ্গে সঙ্গে গ্রুপের সদস্যদের জানাই । আপনারা অনেকেই জানেন প্রতি বছরের মত এ বছরও আমাদের দুই ভাই অর্ক এবং নাফিসের জন্য মে মাসে আমরা প্রাক্তনীরা রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিলাম যাতে ওদের ট্রান্সফিউশন টা নির্বিঘ্নে চলে , ওদের মতই অনেক ভাই বোনের ট্রান্সফিউশনের রক্তের যোগান দেয় কোঠারি ব্লাড ব্যাংক । তাই বেশি সময় ব্যয় না করে প্রাক্তনীর যোদ্ধারা এক কথায় প্রস্তুত রক্ত দিতে । খাতায়-কলমে ওই দিন ছেলে দের ক্ষেত্রে সবে 90দিনের গন্ডি পেরিয়েছে । মেয়েদের ক্ষেত্রে সেটা 120 দিন, সেই কারনে প্রাক্তনী র কয়েকজন মেয়ের আগ্রহ থাকলেও তারা এই ব্যাপারে আর এগোতে পারেনি। রক্তের প্রয়োজনে শ্রীকৃষ্ণ বাবু কোনোদিনই আমাদের হতাশ করেননি তাই এক রাতের মধ্যে ওনারই আহ্বানকে সম্মান জানিয়ে আমাদের সাধ্যমত ওনাদের পাশে দাঁড়াতে ,ঠিক বন্ধুত্ব দিবসের দিন সকাল সকাল প্রাক্তনী র পক্ষ থেকে অনুপ দে, দেবজ্যোতি দে নিয়োগী, অর্পণ পাল, চিরঞ্জিত রয় ও অরিত্র ঘোষ গিয়ে রক্ত দিয়ে আসে ।
আমরা জানি এতে ব্লাড ব্যাংকের রক্তের হাহাকার মিটবে না ,তবু আমরা এই ভয়ঙ্কর সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের একটা মানসিকতা রাখতে চেয়েছি সকলের সামনে , দায় নিতে চেয়েছি নিজেদের কাঁধেও । আমাদের অনুরোধ রইল প্রতিটি সংগঠন, ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে যারা প্রতিবছর রক্তদান শিবির আয়োজন করেন মুমূর্ষ রোগীদের কথা মাথায় রেখে দয়া করে বিশেষ কোন দিনক্ষণ , নাড়ি নক্ষত্র , দেখে রক্তদান শিবির করার প্রথা ভেঙে বেরিয়ে আসুন। ১৫ ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন চারপাশে প্রচুর ক্যাম্প হবে, কিন্তু তার এক মাস আগে থেকে ক্যাম্প করার প্রবণতা বন্ধ হয়ে যায় । আমাদের বিভিন্ন উৎসব ,পুজো পার্বণ এর মাসে রক্তদান শিবির করা বন্ধ থাকে। সেই সময় চারিদিকে রক্তের হাহাকার চলে । তখন এগিয়ে এসে ক্যাম্প গুলি আয়োজন করুন তাতে আমার-আপনার , মুমূর্ষ রোগীদের এবং সমাজের কল্যাণ হবে ।।
🙏🙏

Read More

আমাদের_খ্রিস্টৎসব

এবছরের ২৫ শে ডিসেম্বরটা হয়তো ওদের কাছে কিছুটা অন্যরকম , কিছুটা আলাদা , অনেক কিছুর মাঝেও ওদের কেউ একজন যেনো নেই, নেই ওদের দেবদূত সান্তা “শ্রদ্ধেয় শঙ্কর স্যার”।। রয়েছে শুধুই স্মৃতি…
আমরা ঠিক করেছিলাম আমাদের সবটুকু দিয়ে সাধ্য মতন এই দিনটায় ওদের সাথে কাটাবো, চেষ্টা করবো কিছুটা আনন্দ কিছুটা হাসি ওদের উপহার দিতে ।
সেই সূত্র ধরেই, আমরা প্রাক্তনী র ৯ সদস্যের টিম হঠাৎ করেই পৌঁছে গেছিলাম ওদের কাছে ।
ছোট ছোট ভাইবোন দের আন্তরিকতা , সহজে আপন করে নেওয়া আর অকৃত্রিম ভালোবাসার ভিড়ে, দিন শেষে যা নিয়ে ফিরেছি তাতে আমরা অনেকবেশি সমৃদ্ধ আর আপ্লুত ।
ভালো থেকো তোমরা , দেখা হবে আবার…

Read More

প্রাক্তনী র সবটুকু ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু স্কুল, তাই গত ২৪ তারিখ রাতের কর্মসূচির বাইরে,অনুষ্ঠান শুরুর আগেই আমরা স্কুলের সামনে আমাদের সবসময়ের সহযোগী,বিদ্যালয়ের অস্থায়ী কর্মী বাপি দা- র ছেলে কে ক্রিসমাসে ভালোবাসার উপহার স্বরূপ তুলে দি একটি জ্যাকেট ও কেক।সেই মন্দিরের সামনেই ।

 

Read More

উষ্ণ_পরশে ২৪/১২/২২

ভাবনা ছিল বছর শেষের ঠান্ডায় ফুটপাতবাসি সহনাগরিক বন্ধুদের কাছে পৌঁছে দেব ভালোবাসার উষ্ণতা ।
এইরকম কাজে আমরা নবিশ, তবু ভাবনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যেই পথেনামা, তাই প্রাথমিকভাবে গত ১৭ ই ডিসেম্বর মধ্যরাত্রে প্রাক্তনী র ৬ জনের টিম , ৩ টি বাইক নিয়ে বেড়িয়ে পড়ে সার্ভে করতে, দক্ষিণ কলকাতার অলিগলি হয়ে ফেরা হয় মধ্যরাত্রে, কারোর কারোর গায়ে শীতবস্ত্রই নেই, কারোর ছেঁড়া চাদর, কারোর পাতলা ফাটা কম্বল, আর কারোর গায়ে প্লাস্টিকের বস্তা। পরেরদিন সারাদিন ধরে চলে আলোচনা আর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ।
তারপর গত রাত্রের প্রাক্তনী র স্বপ্নের প্রোজেক্ট “উষ্ণ পরশে” র বাস্তবায়ন , তারপর অলিগলি থেকে রাজপথ ছুটে চললো প্রাক্তনী র ১৫ জনের টিম রাত ৩ টে পর্যন্ত …
শুধুই দায় সারা নয় আন্তরিকভাবে, বিনম্র ভাবে ডেকে ,গল্পের ছলে কথা বলে অবস্থা বুঝে …।।
কিন্তু এই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়নের মাঝের অংশটায়,প্রতিবারের মতো যাঁরা পিঠ চাপড়ে বলে প্রাক্তনী এগোক আমরা সাথে আছি , যারা নতুন করে প্রাক্তনী তে এগিয়ে চলার ভরসা যুগিয়ে চলে , সেইসব প্রাণের প্রিয় দাদা দিদি ভাই বোন আর বন্ধু, যাঁরা চিরকাল পর্দার আড়ালে থেকেই, প্রাক্তনী র সফলতায় নিজেদের ভালোলাগার কারণ খুঁজে নেন… তাদের ধন্যবাদ জানানোর ধৃষ্টতা আমাদের নেই …. শুধু রইলো নিচে পোস্ট করা , মধ্য রাতের এইসব এক একটা ছবি ,যা আপনাদেরই ভালোবাসায় আঁকা বাস্তব চিত্র … আর কিছু নয়।
আমরা আজও স্বপ্ন দেখি সেই দিনের যেদিন লাইক আর কমেন্টের বাধা ভেঙে, আপনিও নিজেকে প্রাক্তনী র একজন ভেবে আন্তরিক ভাবে এগিয়ে আসবেন , একসাথে এই পথচলায় বন্ধু হবেন । ভালো থাকবেন , আর ঘুমের দেশে ভালো থেকো কাঞ্চন দি …

Read More

দেবতার_সন্ধানে_২০২২

আপনারা সকলেই জানেন বিগত পাঁচ বছর ধরে প্রাক্তনী পরিবার বিদ্যালয়, বিদ্যালয় এলাকায় এবং এলাকার বাইরে বিভিন্ন সমাজ সেবা মূলক কাজ করে আসছে। আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে একটি হল #দেবতার_সন্ধানে যেটা আমরা প্রতি বছরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের মরশুমে করে থাকি । গত একমাস আগে যখন এই নিয়ে মিটিং হয় সবাই এক বাক্যে বলেছিল আমরা আবার #রা‌ইনেই যাবো কারণ ওখানকার দাদুর দিদাদের যে আমরা কথা দিয়ে এসেছি আবার ফিরে আসবো আবার আমরা সারাটা দিন সকলে মিলে আনন্দ করবো হুল্লোড় করব।। পেট এবং মন ভরে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করব ।
আর সেই কথা মতই গত ১৬ তারিখ আমরা সবাই মিলে সকাল সকাল রওনা দিলাম রাইনের উদ্দেশ্যে, বেশ তাড়াতাড়ি পৌঁছে গেলাম কারণ এবার অনেকটা সময় ওনাদের সঙ্গে আমরা থাকতে চেয়েছিলাম আমাদের সবাইকে দেখে ওনাদের মুখে যে অদ্ভুত একটা আনন্দ সেটা আমরা আপনাদেরকে ভাষায় বর্ণনা দিয়ে বোঝাতে পারবো না । প্রথমে পৌঁছেই সকল দাদু দিদা ও আশ্রমের সকলকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানিয়ে আমাদের সকলের সঙ্গে আলাপচারিতা র পর্ব শুরু হল কারণ এবার বেশ কিছু জন নতুন আবাসিক দেখলাম যাদেরকে আমরা গতবার দেখিনি । এই বছর আমাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশ্রমের সম্পাদক মহাশয় বলাই কিশোর সামন্ত স্যার , ওনার চিন্তা ভাবনাতেই এই আশ্রমটি তৈরি হয়েছে অনুষ্ঠানের প্রথমেই ওনার কাছে আশ্রমবাসি জীবনব্রত শুনলাম এরপর একে একে শুরু হলো আমাদের মধ্যে ভালবাসার আদান-প্রদান পর্ব , সামান্য কিছু উপহার প্রদান,ওনাদের পেট ভরে খাওয়া-দাওয়া, পিটারের অনবদ্য গান এবং সবশেষে ওনাদের বিনোদনের জন্য আমরা একটা ছোট্ট খেলার আয়োজন করেছিলাম সঙ্গে সামান্য কিছু উপহার ।
বেশ কিছু দাদু দিদা কে দেখে সত্যিই চোখে জল চলে এলো যারা বর্তমানে নিজের ঘর থেকে বের হতে পারেন না, বয়সজনিত কারণে নানান রকম শারীরিক সমস্যায় জর্জরিত । ঈশ্বরের কাছে একটাই প্রার্থনা ওনারা যেন সুস্থ থাকেন এবং অসুস্থ মানুষ গুলোকে যেন বেশি কষ্ট না পেতে হয় ।
আমরা কি দিলাম বা কি খাওয়ালাম তার থেকে আমাদের কাছে অনেক বেশি জরুরী আমরা কতটা ওনাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারলাম, কতটা আপন করে নিতে পারলাম আমার কতটা প্রাণ খুলে আনন্দ দিয়ে আসতে পারলাম ওনাদের সাথে ।
প্রাক্তনী পরিবারের দেবতার সন্ধানের অনুষ্ঠানটিকে সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য আপনারা যারা আর্থিকভাবে আমাদের সাহায্য করেছেন বা কোন জিনিস দিয়ে আমাদের সাহায্য করেছেন তাদের সকলকে প্রাক্তনী পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুক আপনারা খুব ভাল থাকুন আমরা আশা রাখবো আগামী দিনেও আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে প্রাক্তনী আরো অনেক কাজ করবে এবং অসহায় মানুষ গুলোর মুখে হাসি ফোটাবে ।।🙏🙏

Read More