আপনারা সকলেই জানেন বিগত ছয় বছর ধরে প্রাক্তনী পরিবার বিদ্যালয়,তথা বিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী এলাকায় এবং এলাকার বাইরে বিভিন্ন সমাজ সেবা মূলক কাজ করে আসছে। আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে অন্যতম হল #দেবতার_সন্ধানে যেটা আমরা প্রতি বছরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের মরশুমে করে থাকি । একমাস আগে থেকে এই নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয় । গত ১৫ই অক্টোবর রবিবার দেবীপক্ষের প্রতিপদের দিন সকাল সকাল আমরা পৌঁছে গিয়েছিলাম , দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণী অঞ্চল সংলগ্ন রেনিয়া তে, যেখানে একটি অনাথ আশ্রমে অনধিক ১০০ জন ছোট্ট ভাই বোন ও কিছু হতভাগ্য দাদু দিদা থাকেন । এর আগেই আপনারা প্রাক্তনীর পোস্ট দেখেছেন , আমরা আবেদন করেছিলাম আপনাদের সকলের কাছে একটু এগিয়ে আসার জন্য। আমাদের সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে যে সকল মানুষ বাচ্চা গুলোর মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এলেন তাদের জন্য অসংখ্য ভালোবাসা । এই আত্মকেন্দ্রিক যুগে আমরা তো নিজেদের ছাড়া, নিজের পরিবার ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারি না তাই যে সকল সহৃদয় ব্যক্তি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদেরকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ । আপনারা পাশে ছিলেন বলেই এই অল্প সংখ্যক সদস্য নিয়ে প্রাক্তনী পরিবার ১০০ জন ছোট ছোট ভাই বোন ও দাদু দিদাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারল ।
ওদের আবদার ছিল নতুন জামা কাপড়, একটু ভালো খাবার আর ওরা যাতে পুজোয় আনন্দ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করে দেওয়া ।
আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছি ওদের একটু ভালো রাখতে । ওদের চকচকে চোখ আর মুখের চওড়া হাসি দেখে বোঝা যাচ্ছে আমাদের উপস্থিতি ওদের কতটা আনন্দ দিয়েছে ।
আমরা আশাবাদী আগামী দিনেও আপনারা প্রাক্তনী পরিবারের পাশে থাকবেন । আপনারা পাশে থাকলে আমরা ১০০ জন কেন আগামী দিনে ৫০০ জন বাচ্চার মুখেও হাসি ফোটাতে পারবো ।
শারদ উৎসব সকলের ভালো কাটুক এই শুভেচ্ছা রইল সকলের জন্য 
।
প্রাক্তনী পরিবার।।