পরিবারের সকলেই কম বেশি জানেন যে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের দিন আমরা প্রক্তনী রা বিদ্যালয়ের ছোট ছোট ভাই বোনদের নিয়ে একটি সুন্দর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকি এবং তাতে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করে থাকেন আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকারা আমাদের অভিভাবকেরা । কিন্তু গত দুবছর কোভিড এর ফলে আমরা সেই অনুষ্ঠান করে উঠতে পারিনি তাই আমাদের লক্ষ্য ছিল এই অনুষ্ঠানটিকে সুস্থ ভাবে পরিচালনা করা এবং ভাইবোনদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলা , প্রায় একমাস আগে থেকে আমাদের প্রস্তুতি শুরু হয় আমাদের লক্ষ্য শুধু ওদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা গুলো আছে সেটা খুঁজে বার করা আর সকলকে উৎসাহ প্রদান করা।
আগের দিন থেকেই ছিল চূড়ান্ত ব্যস্ততা।পতাকার চেন দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল আমাদের প্রিয় মন্দির।পরের দিন সকালে প্রথমেই শুরু হয়ে যায় অঙ্কন প্রতিযোগিতা। এর পর এক এক করে আসেন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক শিক্ষিকারা। উত্তোলন হয় আমাদের জাতীয় পতাকা,জনগণ মন অধিনায়কে মুখরিত হয়ে ওঠে আমাদের মন্দির,আমাদের বিদ্যালয়। এর পর শুরু হয় আমাদের অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ও তাৎক্ষণিক বক্তৃতা।ছোট ছোট ভাই বোনেরা প্রাথমিক জড়তা কাটিয়ে একে একে অসামান্য প্রতিভার পরিচয় দেয়,সফল হয় আমাদের উদ্দেশ্য।
“কথায় বলে সব ভালো যার শেষ ভালো তার” বিভিন্ন কারণে প্রাক্তনী অ্যাডমিন সদস্যেদের অনেকেই আসতে পারেনি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আসতে পারেনি আমাদের অভিভাবক অনেক শিক্ষক শিক্ষিকা।আর যাদের কথা না বললেই নয় তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আমাদের শ্রদ্ধেয়া পারমিতা ম্যাম যিনি শুরু থেকে শেষ অবধি আমদের পাশে থেকেছেন । ছাত্র ছাত্রীদের ভালোবাসার অমোঘ আকর্ষণে দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা বসে ছিলেন বিচারকের আসনে।তার পর ভাই বোনদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে ফেরেন বাড়ি। আর আমাদের মৌসুমী ম্যাম ছিলেন এই পুরো অনুষ্ঠানের অন্যতম হাসিমুখ।যিনি প্রাক্তনীর অন্যতম সদস্যও বটে। অনুষ্ঠানের শেষ অবধি ছিলেন আমদের ever green কাঞ্চন দি, ও বাপি দা।
আমরা কৃতজ্ঞ এই সব মানুষ গুলোর কাছে। প্রাক্তনী পরিবার কৃতজ্ঞ সমগ্র বিদ্যালয় পরিবার,ছাত্র ছাত্রী ও তাদের পরিবারের কাছে।

About the Author: admin

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *