******************************************
আজ সকালে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে THE TELEGRAPH পত্রিকার METRO পাতাটা খুলতেই,এই থমথমে lockdown এর বাজারেও বুকে একটা হাল্কা আনন্দের হওয়া ছুটে গেছে এই গ্রুপের অনেকেরই।।
খুব মনে পরে,
দিনের পর দিন নিজের পকেটের টাকা খরচ করে, দুঃস্থ ছাত্র ছাত্রীদের জন্যে বার বার ছুটে যাওয়া সেই আপনার কথা।। ৫০ বছরের বিজ্ঞান প্রদর্শনী হোক কিংবা ,বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিযোগিতায় যোধপুর পার্ক,রবীন্দ্র কানন থেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, রাতের পর রাত জেগে পরে থেকেছেন স্কুলে,যাতে সেরার শিরোপা টায় আমাদের স্কুলের নাম লেখা থাকে তারই জন্যে, আপনার অবসর গ্রহণের দিনও ছাত্র ছাত্রীরা ভেজা চোখে শ্রদ্ধার অর্ঘ্যে লিখেছিল “মহীরুহ কখনোই ছায়া দিতে ভুলে যায় না, আপনার আদর্শ আর শিক্ষা আমাদের আগামী পথের পাথেয়, সমৃদ্ধ আমাদের মত অগুনতি পরিযায়ী “
আপনার রসায়নের ক্লাস গুলো যেনো 3D পর্দায় ফুটে ওঠা এক একটা রোমাঞ্চিত আলোকচিত্র,
হ্যাঁ,ঠিক যেন সত্যজিৎ রায়ের প্রফেসর শঙ্কু,সবার প্রিয় শঙ্কর স্যার (Sankar Prasad Hore) ।।
বিদ্যালয়েরই প্রাক্তন ছাত্র,আমাদের এই প্রাক্তনী পরিবারের অলঙ্কার শ্রী তন্ময় পাত্র( Tanmoy Patra ) প্রতিষ্ঠিত হাওড়ার বিবেকানন্দ শিক্ষা কেন্দ্র, এগিয়ে চলেছে সমাজের পিছিয়ে পরা ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে, যার অন্যতম কান্ডারী আপনি,আপনি সত্যি বুঝিয়ে দিয়েছেন বয়স নিছকই সংখ্যা মাত্র… ।।
আমরা আজও শিখছি আপনার থেকে, শিখেই চলেছি।।
এ এক আলাদা অনুভূতি , আপনি সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন… এখনো অনেক কুঁড়ি অপেক্ষমান আপনার স্পর্শ পাবে বলে।। ভালো থাকুন তন্ময় বাবু, প্রাক্তনী পরিবারের পক্ষ থেকে রইলো এক আকাশ শুভেচ্ছা ।।
